আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন জমা নভেম্বর থেকে

 

মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য অনলাইন ব্যবস্থা চালু করছ সরকার। আগামী নভেম্বর মাস থেকে এ ব্যবস্থা চালু হবে। ভ্যাট অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে রিটার্ন দেওয়ার জন্য আর ভ্যাট কার্যালয়ে যেতে হবে না। তখন ভ্যাট অনলাইন সফটওয়্যারে প্রবেশ করে ঘরে বসেই রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। একইভাবে ভ্যাট পরিশোধের সুযোগও থাকবে। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ছয় মাসের জন্য অনলাইন কার্যক্রম চালু হবে। এরপর স্থায়ী করা হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে নভেম্বর মাসের কোন দিন থেকে পরীক্ষামূলক ভ্যাট অনলাইন ব্যবস্থা চালু হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এনবিআর সূত্রে আরো জানা যায়, পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রথমে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) কোম্পানিগুলো অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দিতে পারবে। তিনমাস পর এর সঙ্গে যুক্ত হবে ঢাকা পূর্ব কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের প্রতিষ্ঠানগুলো। এভাবে পর্যায়ক্রমে সব প্রতিষ্ঠানকেই ভ্যাট অনলাইনের আওতায় আনা হবে। অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন ও কর পরিশোধ করতে হলে ইলেকট্রনিক ব্যবসায় শনাক্তকরণ নম্বর (ইবিআইএন) লাগবে।

সূত্র আরো জানায়, নতুন এ ব্যবস্থা চালু হলে ভ্যাট অনলাইন সফটওয়্যারে প্রবেশ করে ঘরে বসেই রিটার্ন দেওয়া যাবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় ‘ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে’ যেহেতু এখনো চালু হয়নি; তাই আপাতত ঘরে বসে ভ্যাটের টাকা জমা দেওয়া যাবে না। সনাতনী ব্যবস্থায় সরকারি কোষাগারে পে-অর্ডার দিয়ে ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে। ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণ হিসেবে শুধু পে-অর্ডার নম্বরটি অনলাইনে রিটার্ন জমার সময় ফরমে লিখতে হবে।

অনলাইন ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি মূল ভ্যাট অনলাইন সার্ভারের সঙ্গে প্রতিটি কোম্পানির হিসাব সফটওয়্যারে সংযুক্ত করা হবে। মূল সার্ভারের সঙ্গে সমন্বয় করতে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সফটওয়্যারের কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।

এই বিষয়ে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ভ্যাট অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে রিটার্ন দেওয়া অনেক সহজ হবে। ব্যবসায়ীরা আর হয়রানির অভিযোগও করতে পারবেন না। অন্যদিকে, রাজস্ব ফাঁকিও বন্ধ হয়ে যাবে। সার্বিকভাবে অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসায়বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

সম্পাদনা: আরএ/আরবি/এসএ

মন্তব্য