আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
ভূমি অফিসকে দালাল-দুর্নীতিমুক্ত করা হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

দেশের ভূমি অফিসগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতসহ ভূমি অফিসগুলোতে জনভোগান্তি, দালালমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত করা হচ্ছে।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএফডিসি মিলনায়তনে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে ছায়া সংসদ অনুকরণে ‘ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী ভূমির উন্নয়ন কাজ শুরু করেছি। দুর্নীতিমুক্ত ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে মাঠ পর্যায় থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত স্বচ্ছতার মাধ্যমে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স করা হচ্ছে।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা স্টেপ বাই স্টেপ এগুচ্ছি। ভূমি অফিসগুলোর আশেপাশের দুষ্টগ্রহ দূর করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এদেশে কোনো ভূমিহীন থাকবে না উল্লেখ করে সাইফুজ্জামান বলেন, সারা দেশে ৫০ হাজার গৃহহীনকে গুচ্ছগ্রাম পুনর্বাসন করার কাজ চলছে।

ডিজিটালাইজেশনের কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খতিয়ান, পর্চা ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। বিদ্যমান ম্যাপ, খতিয়ান স্ক্যান করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে ছাড়া হচ্ছে। এখন দেশের যে কোন স্থান থেকে খতিয়ান অনলাইনের মাধ্যমে সুবিধাভোগিরা পাবেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে এখন দক্ষ ও কারিগরি জনবল পদায়ন হচ্ছে উল্লেখ করে সাইফুজ্জামান বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা এখন আর আগের অবস্থানে নেই। এডিবি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ভারত ও নরওয়ের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশ ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিকে পরাজিত করে জয়ী হয় প্রাইম ইউনিভার্সিটি। সংসদের আদলে করা ওই বিতর্কে সরকারের ভূমিকায় ছিল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি এবং বিরোধী পক্ষে ছিল প্রাইম ইউনিভার্সিটি।

প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী বিতার্কিকদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, সাংবাদিক দৌলত আক্তার মালা, গবেষক ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক জাহিদ রহমান।

সম্পাদনা: এফএইচ/এনএম/আরবি

মন্তব্য