আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
হোটেল সুন্দরবনে চলছে “স্বপ্নধরা আবাসন মেলা”

প্লট বিক্রির উদ্দেশ্যে রাজধানী ঢাকায় তিন দিনব্যাপী একটি একক আবাসন মেলার আয়োজন করেছে স্বপ্নধরা এ্যাসেটস্ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। ‌‌’ধরনীর বুকে স্বপ্নের ঠিকানা’ এ স্লোগানে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) কারওয়ান বাজারে অবস্থিত হোটেল সুন্দরবনে “স্বপ্নধরা আবাসন মেলা” শুরু হয়। এ মেলা চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা মেলাটি সবার জন্য উম্মক্ত। সকলের আবাসন সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্বপ্নধরা এ্যাসেটস্ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এর কর্মকর্তারা।

জানা যায়, প্রস্তাবিত ৩০০ ফিট ঢাকা-পদ্মা সেতু মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠেছে পরিকল্পিত নগর ‘স্বপ্নধরা’। ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দুরুত্ব মাত্র ২৩ মিনিট এবং রাজউক ঝিলমিল প্রকল্প থেকে দূরত্ব মাত্র ৯ মিনিট।

স্বপ্নধরা প্রকল্পে থাকছে- শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও থিম পার্ক। এছাড়াও থাকছে- স্পোর্টস ক্লাব, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, হেলথ ক্লাব, টেনিস কোর্ট, পার্কিং জোন, ওয়াটার গার্ডেন, আধুনিক শপিং সেন্টার, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কনভেনশন সেন্টার, সুপার শপ, ব্রীজ ও লেক, অফিস ও বাণিজিক স্থান, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ স্টেশন, অডিটোরিয়াম, কাঁচাবাজার, পোস্ট অফিস, হোটেল, নিরাপত্তা, মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, কবরস্থান, মন্দির ও গীর্জাসহ আধুনিক বিশ্বমানের সব নাগরিক সুবিধা।

স্বপ্নধরা এ্যাসেটস্ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পছন্দকৃত প্লট খালি থাকা সাপেক্ষে গ্রাহক তাঁর প্লট বুকিং দিতে পারবেন। কোম্পানির নির্ধারিত বুকিং ফর্মে প্লট গ্রহীতার ২ কপি ও নমিনীর ১ কপি ছবি ও কাটা প্রতি ১০,০০০ হাজার টাকা বুকিং মানিসহ গ্রাহককে প্লটের জন্য প্রাথমিক বুকিং ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া, বুকিং মানি কাঠা প্রতি ১০,০০০ হাজার টাকা এবং ডাউন পেমেন্ট মোট মূল্যের ১৫% । এককালীন পণ্য পরিশোধের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করার পর এবং কিস্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডাউন পেমেন্ট পরিশোধের ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে গ্রহীতার সাথে কোম্পানির চুক্তিনামা সম্পন্ন হবে। অবশিষ্ট টাকা চুক্তি অনুযায়ী, ৬০, ৮৪, ৯৬ ও ১০০ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে। এককালীন প্লট বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের ৩ দিনের মধ্যে সাব-কাবলা রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করতে হবে।

কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, প্লট রেজিস্ট্রেশনের সকল খরচাদি, নামজারী, কল্যাণ তহবীল, সকল প্রকার উন্নয়ন, হস্তান্তর, ভ্যাট, ট্যাক্স এবং সকল প্রকার উপযোগ খরচাদি কোম্পানি কর্তৃক কাঠা প্রতি নির্ধারিত হারে ক্রেতা বহন করবেন। প্রকল্প উন্নয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া ও চুক্তি মোতাবেক মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে প্লট রেজিস্ট্রেশন ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। প্লট বুকিং পরবর্তী মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোম্পানির নিয়মানুযায়ী নাম ও ব্লক/প্লট পরিবর্তন ফ্রি প্রদান করতে হবে। এছাড়া, আরো বেশ কয়েকটি নীতিমালা প্রদান করা হয়েছে।

স্বপ্নধরা কর্মকর্তারা বলেছেন, সুনিদির্ষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠ ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা। আর আমাদের লক্ষ্য আবাসন সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা। সৎ ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা প্রণয়ণে আমরা কোনো আপোষ করিনি। তাই এর বাস্তবায়নেও ক্রেতারা আমাদের উপর শতভাগ আস্থা রাখতে পারেন।

বর্তমানে প্রকল্পের পাশে আছে
উপজেলা পরিষদ, পুলিশ স্টেশন, এসি ল্যান্ড ও সাবরেজিষ্ট্রি, অফিস মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স, ৫টি মসজিদ।
কেন স্বপ্নধরাতে প্লট কিনবেন?
প্রকল্পের নিকটে নির্মাণ করা হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফলে ঢাকা-পদ্মা সেতু রোডটি হবে ৮ লেন বিশিষ্ট ভি.আই.পি রোড।
প্রকল্পটি ৪টি সরকারী রাস্তাসহ ঢাকা-পদ্মা সেতু এক্সপ্রেস ওয়ের সাথে সরাসরি সংযুক্ত।
প্রতিটি প্লটের পেছনে রয়েছে ৫ (পাঁচ) ফিট গ্রীন স্পেস ‘একদম ফ্রি’।
প্রকল্পে আরও থাকছে ৮টি পার্ক, ৫টি প্লে গ্রাউন্ড, ৩টি স্কুল, ৩টি কলেজ, ৮টি মসজিদ, ২টি মার্কেট, ৩টি হাসপাতাল, ৩টি কনভেনশন সেন্টার, ২টি কাঁচা বাজার, ১টি লেক ও ১টি কবরস্থান।
প্রকল্পটিতে রয়েছে ঢাকার চারদিক থেকে যাতায়াতের সু-ব্যবস্থা।
স্বপ্নধরা রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্প থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের পথ।
‘স্বপ্নধরা’তে থাকছে নিজস্ব বৈদুতিক পাওয়ার প্ল্যান্ট।
২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে থাকছে পুলিশ ও ট্রাফিক স্টেশন। সাথে থাকছে তথ্য ও নিরাপত্তা কেন্দ্র।
স্বপ্নধরা আপনাকে দিচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে প্লট বুকিং দেয়ার সুযোগ ও এককালীন মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ে জমি রেজিস্ট্রেশন।
স্বপ্নধরা ন্যাশনাল হাউজিং কর্তৃপক্ষের বিধিমোতাবেক পরিবেশবিদ, নগর পরিকল্পনাবিদ ও দক্ষ স্থপতির তত্ত্বাবধানে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প।
ল্যান্ডস্ক্যাপিং পরিবেশ বান্ধব আবর্জনা সংরক্ষণ ব্যবস্থা যা স্বপ্নধরার স্বপ্নকে রাখবে সুরক্ষিত।
৫(পাঁচ) টি সরকারি সড়ক ছাড়াও থাকছে নিজস্ব ৩০, ৩৫, ৪০, ৬০ ও ৮৫ ফিট রাস্তা। আরও রয়েছে নিজস্ব অভ্যস্তরীণ ১২০ ফিট প্রধান সড়ক।
রয়েছে E-Zone (Exclusive Zone)’ যেখানে প্রতিটি প্লটই প্রকৃত অর্থে একটি কর্ণার প্লট যা স্বপ্নধরার আভিজাত্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ।
“স্বপ্নধরা” রাজউক ও ড্যাপ এর বাইওে অবস্থিত। সম্পূর্ণরূপে বন্যামুক্ত / ফ্লাড-ফ্লো জোনের বাইরে।
খুব দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে শান্তিনগর থেকে ঢাকা-পদ্মা সেতু রোড পর্যন্ত ফ্লাইওভারের কাজ।
প্রকল্পের নিকটে শ্রীনগরে নির্মিত হবে দেশের ২য় বৃহত্তম দক্ষিণাঞ্চলীয় রেলওয়ে জংশন।
প্রকল্পটির নিকটেই পদ্মাসেতু, বিমান বন্দর, রেলওয়ে জংশন ও বৃহত্তম কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ হওয়ার ফলে প্রকল্পটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জোনে পরিণত হবে।
”স্বপ্নধরা” র প্লটসমূহ রাজউকের নীতিমালা অনুযায়ী সুবিন্যস্ত। রয়েছে ৫, ৩ ও ২.৫ কাঠার প্লট।
স্বপ্নপূরণের মূলমন্ত্রে গাঁথা ’স্বপ্নধরা’ যেখানে থাকছে সাধ্যের মধ্যে স্বপ্নপূরণের শতভাগ নিশ্চয়তা।

 

সম্পাদনা: আরএ/আরবি/এসকে

মন্তব্য