আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
হুমকির মুখে তুরাগ পাড়ের বসতবাড়ি

রাজধানী ঢাকার অদূরে তুরাগ নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে অবাদে বিক্রি করা হচ্ছে। আর এসব মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইট ভাটায়। সরকারি কোনো অনুমতি ছাড়াই গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মজলিশপুর (খেয়া ঘাটের দক্ষিণ পাশে) এলাকায় সমেজ উদ্দিন (সমে) মাস্টারের বাড়ির পাশে নদের মাটি কাটায় ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি। ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলর বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। প্রেক্ষিতে জলাশয় রক্ষা আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন তাঁরা।

এলাকাবাসীরা জানান, সরকারি কোনো অনুমতি ছাড়াই মজলিশপুর এলাকার জাফর আলীর ছেলে মাটি ব্যবসায়ী হাকিম আলী (হাকি) মাস্টারের বাড়ির পাশে তুরাগ নদের পাড় থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে অবাদে। এতে ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছেন ওই এলাকার আব্দুল মজিদ, সিরাজ মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, সমেজ উদ্দিন, মোস্তফা মিয়া ও নাশির উদ্দিনের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি। এছাড়া, বর্ষাকালে এবং বৃষ্টি আসলেই ভেঙ্গে পড়বে আশপাশের কয়েকটি বাড়ি। এ ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলর বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মজিদ ও সমেজ উদ্দিন শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের বলেন, মাটি ব্যবসায়ী হাকিম আলী তুরাগ নদের পাড় থেকে অবাধে মাটি কেটে ইট ভাটায় নিয়ে যাওয়ায় আমাদের ঘর-বাড়ি হুমকির মুখে পড়ছে। এভাবে তুরাগ নদের পাড় থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন মাটি ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্ত হবো আমরা এলাকাবাসী। কাউন্সিলর বর্তমানে বিদেশ থাকায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।

এ বিষয়ে মাটি ব্যবসায়ী হাকিম আলী বলেন, আমার জমির মাটি আমি বিক্রি করছি। অনুমতি নেবো কার কাছ থেকে। এতে কারো ক্ষতি হলে আমার কি করার।

বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সভাপতি মো. মনির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন- জলাশয় রক্ষা আইন অনুযায়ী, নদ-নদী ভরাট, দখল জলাধার আইন অমান্য করা। যারা এ ধরনের জলাশয় রক্ষা আইন অমান্য করে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক এটাই দাবি।

এ ব্যাপারে গাজীপুর সদর উপজেলা (ভূমি) সহকারী কমিশনার তানভীর আল নাসীফ সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদনা: জেডএইচ/আরবি/এসকে

মন্তব্য