আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
আবাসন প্রকল্প নির্মাণেও অনিয়ম, গঙ্গাচড়াবাসীর ক্ষোভ

দেশে অনিয়ম ও দুর্নীতি বেড়েই চলছে। এই অনিয়ম থেকে রেহাই পাচ্ছে না আবাসন প্রকল্প নির্মাণের কাজও। নদী ভাঙ্গন কবলিত আশ্রয়হীন মানুষদের জন্য রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সরকারের পক্ষ থেকে একটি আবাসন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু আবাসন প্রকল্প নির্মাণের শুরুই হয়েছে অনিয়মের মধ্যে। কারণ, প্রকল্পে শ্রমিক দিয়ে মাটি ভরাটের নিয়ম থাকলেও চেয়ারম্যান মাটি ভরাট করছেন শ্যালো মেশিন দিয়ে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমতাবস্থায়, তাঁরা দ্রুত শ্যালো মেশিন দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ করে শ্রমিক দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের আরাজী জয়দেব গ্রামে চলতি অর্থবছরে নদী ভাঙ্গন কবলিত আশ্রয়হীন মানুষদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি আবাসন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে ওই প্রকল্পে মাটি ভরাটের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২১২ মেট্রিক টন চাউল বরাদ্ধ দেওয়া হয়। মাটি ভরাট কাজের প্রকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান ওই ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী আজাদ। প্রকল্পের নির্ধারিত জায়গায় শ্রমিক দিয়ে মাটি ভরাটের নিয়ম থাকলেও প্রকল্প চেয়ারম্যান আবাসন প্রকল্পের পাশেই ৩টি শ্যালো মেশিন স্থাপন করে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন করে মাটি ভরাট করছে। এতে ওই আবাসন এলাকার খেটে খাওয়া দিন মজুরা তাঁদের কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আবাসন এলাকার মানিক, হাসানুল, জয়নাল, আলম নামে কয়েকজন সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৫ দিন থেকে আবাসনের জায়গায় শ্যালো মেশিন দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমতাবস্থায়, তাঁরা দ্রুত শ্যালো মেশিন দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ করে শ্রমিক দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে ইউ.পি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, কাজের অফিস আদেশ নিয়ে নিয়ম মাফিক কাজ করছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, আবাসনের কোন কাজের আদেশ দেওয়া হয়নি। তাই ব্যবস্থা নিতে পারছি না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ এনামুল কবীর বলেন, প্রকল্প চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদনা: এসকে/আরএ/জেডএইচ

মন্তব্য