আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
ভবনে অবৈধ ও নকশা বহির্ভূত ব্যবহার বন্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত

রাজধানী ঢাকায় আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এবার রাজধানীর বনানী ও নিকেতন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। অভিযানে আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে আটটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সিলগালা ও ২৫টি বাড়ির সামনের অবৈধ র‌্যাম্প (গাড়ি ওঠা-নামার ঢালু সিড়ি) ও গার্ডেনিং ওয়াল অপসারণ করা হয়। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজউক এর অঞ্চল-৪ (গুলশান, মহাখালী, পূর্বাচল) এর পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার অলিউর রহমান এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

রাজউকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রটোকল) মো. আতিকুর রহমান সাংবাদিককের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, মঙ্গলবার পরিচালিত অভিযানে বনানীর ব্লক-এম এর ১১ নং রোডে হোল্ডিং নং-৭৮ এর ছয় তলা আবাসিক ভবনে অফিস, দোকান, বিউটি পার্লার ইত্যাদি বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে চারটি ফ্ল্যাট সিলগালা করা দেয়। এ সময় এই ফ্ল্যাট গুলোর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ব্লক-এফ এর হোল্ডিং নং-২৪ এর ভবনের ১ম ও ২য় তলায় বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে একটি কিডস্ শপ ও দুইটি কাপড়ের দোকান সিলগালা করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে রাজউক এর সহকারী অথরাইজড অফিসার মোঃ কায়সার পারভেজসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, নিকেতন এলাকায় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার ও অথরাইজড অফিসার আদিলুজ্জামান এর নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ব্লক-এ এর ০২ নং রোডের হোল্ডিং নং-৯৩ এর কার-পার্কিংয়ের স্থলের ‘পঞ্চমুখী সুপারশপ এন্ড মিডিয়া ক্যাফে’ নামক একটি রেস্টুরেন্ট উচ্ছেদ করা হয়। ০১ নং রোডের হোল্ডিং নং-০৫ এর কার-পার্কিংয়ের স্থলে কেয়ারটেকারের বসবাসের জন্য অবৈধভাবে নির্মিত একটি বড় কক্ষ উচ্ছেদ করা হয়। ব্ল-ই এর নির্মাণরত একটি ভবনের সেট-ব্যাকে (ভবনের চারদিকের আবশ্যিক উন্মুক্ত স্থান) নকশা বহির্ভূত বারান্দা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া, ২৫টি বাড়ির সামনের অবৈধ র‌্যাম্প (গাড়ি ওঠা-নামার ঢালু সিড়ি) ও গার্ডেনিং ওয়াল অপসারণ করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে রাজউক এর সহকারী অথরাইজড অফিসার মাকিদ এহসান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ অন্যান্য সেবাদানকারী সংস্থা সহায়তা প্রদান করে।

সম্পাদনা: আরএ/আরবি/এসকে

মন্তব্য