আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
২৫% ছাড়ে প্লট দিচ্ছে পূর্বাচল মেরিন সিটি

সভ্যতার জন্য বাসস্থান যদি মৌলিক অধিকার হয়, তবে সু-পরিকল্পিত আবাসান আর এক খন্ড নির্ভেজাল নিষ্কটক জমি প্রত্যেক মানুষেরই আজন্ম লালিত স্বপ্ন। সেই ইপ্সিত স্বপ্নের ঠিকানা বাস্তবায়নের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে নিয়ে রিহ্যাব ফেয়ারে ২৫% ছাড়ে প্লট দিচ্ছে পূর্বাচল মেরিন সিট। রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) আয়োজনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সস্মেলন কেন্দ্রে আবাসন মেলায় অংশ নেওয়া পূর্বাচল মেরিন সিটির নম্বর ৩৬ স্টলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা আবাসন বার্তাকে এ তথ্য জানান। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ার ২০১৭ এর আজ রোববার চতুর্থ দিন। সেখানে স্বপ্নের ঠিকানার সন্ধানে এসেছেন ক্রেতারা।

প্লট হস্তান্তরের বিষয়ে পূর্বাচল মেরিন সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন মো: শাহ আলম আবাসন বার্তার প্রতিবেদক রাজু আহমেদকে বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালের আগস্টে। তিনি বলেন, অতি আনন্দের বিষয় পূর্বাচল মেরিন সিটি ইতিমধ্যে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ৩০০ প্লট হস্তান্তরের উপযোগী করে তুলেছে। অতি শিগগিরই প্লটগুলো ক্রেতাদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

পূর্বাচল মেরিন সিটি সূত্রে জানা যায়, ক্যাশ পেমেন্ট ২৫% ছাড়সহ ৩ দিনের মধ্যে সাফ কাবলা এবং প্লট বুঝিয়ে দেয়া হয়। পূর্বাচল মেরিন সিটি সম্পর্কে যেকোনো তথ্য এবং প্রকল্প পরিদর্শনের জন্য ০১৬ ১৭৫ ১৭৫ ২৫ এই নম্বরে যোগাযোগ করার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

গত তিন দিনে ১৮টি প্লট বিক্রি হয়েছে বলে জানান স্টলে কর্মরত পূর্বাচল মেরিন সিটির সহকারী ম্যানেজার (সেলস এ্যান্ড ম্যানেজার) মো: বিপ্লব খাঁন। তিনি বলেন, এবারের মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীর উপস্থিতি বেশ ভালো। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় দিনের মতো আজ রোববার সকাল থেকেই মেলায় আগত ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। বিকেল গড়াতে তা আরও বাড়ে। গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত ১৮টি প্লট বিক্রি হয়েছে। ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা প্লট সম্পর্কে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। আজ রোববার ও আগামীকাল সোমবার এই দুই দিনে আরও প্লট বিক্রি হবে বলে আশাপ্রকাশ করছেন বিপ্লব।

ক্যাপ্টেন মো. শাহ আলম আরও বলেন, পূর্বাচল মেরিন সিটি মূলত একটি কমিউনিটি ভিত্তিক আবাসন প্রকল্প। শুধুমাত্র এই প্রকল্পেই আছে নানাবিধ পেশার লোকদের স্বতন্ত্র ও আলাদা আবাসিক জোন। যেমন- ক্যাপ্টেন্স হোম, ইঞ্জিনিয়ারস ভিলা, চ্যার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ভিলা ইত্যাদি। এসব পেশার লোকদের একসাথে বসবাসের সুযোগে এ প্রকল্পে আবাসনের ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আপনিও আপনার পেশার লোকদের নিয়ে কিংবা স্বতন্ত্রভাবে থাকার সুযোগ নিতে পারেন।

সভ্যতার জন্য বাসস্থান যদি মৌলিক অধিকার হয়, তবে সু-পরিকল্পিত আবাসান আর এক খন্ড নির্ভেজাল নিষ্কটক জমি প্রত্যেক মানুষেরই আজন্ম লালিত স্বপ্ন। সেই ইপ্সিত স্বপ্নের ঠিকানা বাস্তবায়নের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে নিয়েই “পূর্বাচল মেরিন সিটি”র পথচলা। পূর্বাচল মেরিন সিটি রাজউক পূর্বাচল নিউ টাউন প্রজেক্ট সন্নিহিত প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য আর আধুনিকতার এক অনন্য সমাহার। পূর্বাচল মেরিন সিটি বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসারদের দ্বারা পরিচালিত একটি আবাসন প্রকল্প।

প্রকল্পের অবস্থা : “পূর্বাচল মেরিন সিটি” দেশের এক এবং একমাত্র আবাসন প্রকল্প যা রাজউক পরিকল্পিত মেগাসিটি পূর্বাচল নিউ টাউনের ২১, ২২ ও ৩০ নম্বর সেক্টর দ্বারা পরিবেষ্টিত। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ১০ কি.মি দূরত্বের মধ্যে। ১৮০ ফুট এশিয়ান হাইওয়ে/ঢাকা বাইপাস এর সাথে লাগানো। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ১০ মিনিটের ড্রাইভ। নয়নাভিরাম ইকোপার্ক “জিন্দা” লাগানো। লাল শক্ত উচু মাটি বলে ভরাট/পাইলিংয়ের প্রয়োজন হবে না।

প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলেছেন, সবাই বলে লেক বানিয়ে দিব- আমরা বলি, আমাদেরটা এখনই তৈরি। কেউ কেউ পার্কের কথা বলে, আমরা বলি, পার্কের পাশেই আমাদের বাস। এছাড়া, অনেকেই বলে ভরাট হবে এইতো এখনি, আমরা বলি, কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, আমাদের ভূমি প্রাকৃতিক ভাবেই উঁচু।

বিশেষতু :
* রাজউক পরিকল্পিত মেগাসিটি পূর্বাচল নিউ টাউনের ২১, ২২ ও ৩০ নম্বর সেক্টর দ্বারা পরিবেষ্টিত হওয়ায় সকল নাগরিক সুবিধা পাওয়ার সর্বোত্তম সুযোগ। এছাড়া, সম্পূর্ণ বন্যা ও দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশ যা এখনই বাড়ি করার উপযোগী। ভূ-কম্পন প্রবণ এলাকার পুরোপুরি আওতামুক্ত। প্রাকৃতিক ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় গড়ে উঠা সুপরিকল্পিত শহর যা সকলকে মুগ্ধ করবেই। প্রাকৃতিকভাবে প্রকল্পের জায়গাটি সম্পূর্ণ উঁচু ও টেকসই লাল মাটির আস্তরণ। আমাদের প্রকল্পের মাটি ভরাট তো লাগবেই না, বরং মাটি কেটে সমান করতে হবে। এটি অন্যান্য গৃহায়ন কোম্পানীর ন্যায় নদ-নদীর গতি প্রবাহ কিংবা নিচু জলাশয়ের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী প্রকল্প নয়। সুতরাং সরকারি বিচার বিভাগীয় বিধি-নিষেধ আরোপের শঙ্কামুক্ত। শক্ত মাটি বলে পাইলিং ছাড়াই বাড়ি করার অনন্য সুবিধা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শোভিত ২০০ বিঘা ইকোপার্ক (জিন্দা পার্ক) সংলগ্ন। বৈকালিক ও প্রাত:ভ্রমনের বিশেষ সুবিধা। প্রকল্পের প্রবেশ পথ ১৮০ ফুট এশিয়ান হাইওয়ে সংযুক্ত। অভ্যন্তরীণ সুপ্রশস্ত রাস্তাঘাট। সাশ্রয়ী মূল্য ও আন্তর্জাতিক মানের আবাসিক প্রকল্প। সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা; যেমন খেলার মাঠ, কবরস্থান, ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শপিংমল, কমিউনিটি সেন্টার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, হেলথ ক্লাব ইত্যাদি বিদ্যামান। সর্বোপুরি সমুদয় প্রকল্পটি যেনো সবুজ বৃক্ষ শোভিত স্নিগ্ধ প্রকৃতির এক অপরুপ লীলাভূমি। দেশি-বিদেশী দক্ষ-অনুমোদিত স্থপতি, পরিবেশবিদ ও শহর পরিকল্পনাবিদদেও দ্বারা সরকারি নিয়ম নীতি অনুযায়ী সুপরিকল্পিত আধুনিক প্রকল্প। প্রকল্পটির জমির মূল্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পের এক তৃতীয়াংশ মাত্র।

২১ ডিসেম্বর বিআইসিসিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া রিহ্যাব ফেয়ার ২০১৭ চলবে আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত। আবাসন মালিকদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) আয়োজিত মেলায় এবার ২০৫টি স্টল রয়েছে। এই ফেয়ারে ৩০টি বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ও ১৩ অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। আর কো-স্পন্সর হিসেবে আছে মোট ২৪টি প্রতিষ্ঠান।

সম্পাদনা: আরএ/আরবি/এসকে

মন্তব্য