আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
বিশেষভাবে সংরক্ষণের তালিকায় ৭৫ ভবন-স্থাপনাগুলো হলো

রাজধানী ঢাকার ৭৫ ভবন ও স্থাপনা বিশেষভাবে সংরক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নান্দনিক, বৈজ্ঞানিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় গুরুত্বের বিবেচনায় এসব ভবন ও স্থাপনা তালিকাভুক্ত করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ এর উপ-বিধি ৬১ অনুযায়ী রাজউক মহাপরিকল্পনাভুক্ত এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বের বিবেচনায় এসব ভবনকে বিশেষ ভবন/ স্থাপনা হিসেবে সংরক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত করে গত ২৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রাজউকের প্রকাশিত তালিকাভুক্ত ৭৫ ভবন হলো : (১) বিনত বিবি মসজিদ-নারিন্দা (২) বড় কাটরা, চকবাজার, (৩) ছোট কাটরা, চকবাজার, (৪) লালবাগের কেল্লা, লালবাগ, (৫) ঈদগাহ, সাত মসজিদ রোড, (৬) নিমতলি দেউরি, নিমতলি, (৭) মীর জুমলা গেট (ঢাকা গেট), দোয়েল চত্বর, (৮) সাতগম্বুজ মসজিদ, মোহম্মাদপুর, (৯) অপরিচিত পুরনো সমাধি, বাঁশবাড়ি, মোহম্মাদপুর, (১০) শাহবাজ খান মসজিদ ও সমাধি, পুরনো হাইকোর্ট ভবন ও এলাকা, (১১) কারতালাব খান মসজিদ, বেগমবাজার, (১২) খান মোহম্মাদ মৃধা মসজিদ, লালবাগ, (১৩) শায়েস্তা খান মসজিদ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পিছনে। (১৪) মুসা খান মসজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, (১৫) গোল তালাবা, ইসলামপুর, (১৬) হলি রোজারিও চার্চ, তেজগাঁও, (১৭) খ্রিস্টান সমাধি ক্ষেত্র (ওয়ারী-নারিন্দা), (১৮) হোসাইনি দালান (ইমামবাড়া), (১৯) ঢাকেশ্বরী মন্দির (অরফানেজ রোড), (২০) জয়কালী মন্দির ও রাম সীতা মন্দির (ঠাটারি বাজার), (২১) শিখ গুরুদুয়ারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, (২২) আর্মেনিয়ান চার্চ (আরমানিটোলা), (২৩) বড় দায়রা শরীফ, আজিমপুর, (২৪) তারা মসজিদ, আরমানিটোলা, (২৫) বংশাল জামে মসজিদ, বংশাল রোড, (২৬) শিববাড়ী মন্দির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, (২৭) নর্থ ব্রুক হল লালকুঠি, ফরাশগঞ্জ, (২৮) কসাইটুলী মসজিদ, (২) ৯ সেন্ট থমাস চার্চ, জনসন রোড, (৩০) সেন্ট গ্রেগরিজ চার্চ, লক্ষ্মীবাজার, (৩১) গ্রিক মেমোরিয়াল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, (৩২) রাখা গোবিন্দ মন্দির, মিল ব্যারাক, (৩৩) শ্মশান মন্দির ও মঠ বানিয়ানগর, সূত্রাপুর, (৩৪) রাধা গোবিন্দ মন্দির, সূত্রাপুর (৩৫) রাম শাহ মন্দির আমলগোলা, লালবাগ, (৩৬) আমির উদ্দিন দারোগার সমাধি বাবুবাজার, (৩৭) গৌড় মঠ, নারিন্দা, (৩৮) রমকৃষ্ণ মিশন, গোপীবাগ, (৩৯) নওয়াব বাড়ি মসজিদ, দিলকুশা, (৪০) দেওয়ান বাড়ি কমপ্লেক্স ও মসজিদ, আমিনবাজর মিরপুর, (৪১) বাহাদুর শাহ পার্ক (ভিক্টেরিয়া পার্ক) সদরঘাট, (৪২) পানির ট্যাংক, বাহাদুর শাহ পার্ক, (৪৩) আম্বর শাহ মসজিদ, কারওয়ান বাজার, (৪৪) ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদ, বেরাইদ, (৪৫) কালিবাড়ি, সিদ্ধেশ্বরী, (৪৭) লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দির, পাতাল খান রোড, (৪৮) ব্রাহ্ম সমাজ মন্দির, লয়েল স্ট্রিট, (৪৯) রাজা রামমোহন লাইব্রেরি, লয়েল স্ট্রিট, (৫০) রুপলাল হাউজ, ফরাশগঞ্জ, (৫১) আহসান মঞ্জিল, ইসলামপুর, (৫২) ওয়াইজ হাউস, ওয়াইজ ঘাট, (৫৩) বর্ধমান হাউস (বাংলা একাডেমি), (৫৪) রোজ গার্ডেন, টিকাটুলি, (৫৫) মানুক হাউস বঙ্গভবন, (৫৬) রেসকোর্স গ্যালারি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (৫৭) ইসকন মন্দির, দয়াগঞ্জ, (৫৮) উপাচার্য ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, (৫৯) মধুর ক্যান্টিন,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, (৬০) পুরনো হাইকোর্ট ভবন, (৬১) চামেলী হাউস, তোপখানা রোড, (৬২) সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল (পুরনো রেলওয়ে হাসপাতাল), (৬৩) হিন্দু মঠ, টিএসসি কমপ্লেক্স, (৬৪) কার্জন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,(৬৫) বলধা গার্ডেন, ওয়ারী, (৬৬) জাতীয় সংসদ ভবন এবং শেরেবাংলা নগর কমপ্লেক্স, (৬৭) আর্ট কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, (৬৮) বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, (৬৯) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, কমলাপুর, (৭০) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার (৭১) শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, মিরপুর, (৭২) রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ, (৭৩) বঙ্গবন্ধু জাদুঘর, ৩২ (পুরনো), ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, (৭৪) রাজউক ভবন (পুরনো ডিআইটি), দিলকুশা এবং (৭৫) নগরভবন (ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ভবন)।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সচিব সুশান্ত চাকমা স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত ইমারত বলতে ইমারত ও ইমারত সংলগ্ন যেকোনো কাঠামো এবং ইমারতের সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব অংশ বোঝাবে। নগর উন্নয়ন কমিটির অনুমোদন ছাড়া এ তালিকাভুক্ত ভবন ও স্থাপনার কাঠামো আংশিক বা সম্পূর্ণ অপসারণ, পুনর্নির্মাণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

সম্পাদনা: আরএ/এসকে/এমএন

মন্তব্য