আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
রূপনগর খালের অবৈধ স্থাপনা এক মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ

রাজধানীর রূপনগর খালের দুইপাশের অবৈধ স্থাপনা আগামী এক মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মূল নকশা ঠিক রেখে জনসাধারণের চলাচলের জন্য খালের পাশে রাস্তা রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রোববার (২১ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন। আদালতের এ আদেশ বাস্তবায়ন বিষয়ে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টদের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

গত ২১ নভেম্বর রূপনগর খাল নিয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেন ঢাকার জেলা প্রশাসন। প্রতিবেদনে বলা হয়, বারবার দখলমুক্ত করা হলেও আবারো অবৈধ দখলদারদের কবলে চলে যাচ্ছে ঢাকার খালসূমহ। অবৈধ দখলদারদের ঠেকাতে রাজধানীর খালসূমহ খনন করে বৃক্ষরোপণসহ ওয়াক-ওয়ে নির্মাণের সুপারিশ করে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

রূপনগর খাল নিয়ে প্রতিবেদন বলা হয়, রূপনগর খালটি দুটি অংশে বিভক্ত। এর মধ্যে রূপনগর খাল (আরামবাগ খাল) এবং রূপনগর খাল (নিম্ন অংশ) নামে পরিচিত। খালটি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত হলেও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঢাকা ওয়াসা বরাবর হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুর সার্কেলাধীন রূপনগর খালের নিম্ন অংশে দুয়ারীপাড়া মৌজার মহানগর ৭০১ নং দাগে প্রায় ৩০-৪০ ফুট প্রস্থ এবং ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্যে সরেজমিনে দৃশ্যত খাল হিসেবে নির্ধারণ করা আছে। এর ধারাবাহিকতায় উত্তর অংশে ৩০-৪০ ফুট প্রস্থ ও ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যে আর.এস রেকর্ড মোতাবেক খাল থাকলেও মহানগর রেকর্ডে ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। যা সরেজমিনে ভরাটকৃত অবস্থায় রয়েছে।

গত অক্টোবর মাসে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ঢাকার খালে ২৪৮ দখলদার’ এবং ‘রূপনগর খাল নিয়ে কুৎসিত কর্মকান্ড’ শীর্ষক শিরোনামে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট এক আদেশে এসব খাল অবৈধ দখলমুক্ত করতে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- তা প্রতিবেদন আকারে আদালতকে অবহিত করতে ঢাকার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়।

গম্পাদনা: এফএইচ/আরএ/আরবি

মন্তব্য