আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
বস্তি বানানো একটি লাভজনক ব্যবসা

বস্তি বানানো এক শ্রেণির মানুষের কাছে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার সীমা নির্ধারিত না হওয়ার এই অসাধু ব্যক্তিগণ সেই সুযোগ সুবিধা নিতে পারছেন।

রিডিং ক্লাব ট্রাস্ট ও জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ১৯তম মাসিক পাবলিক লেকচারে এ মন্তব্য করেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ড.শহীদুল আমিন।

তিনি বলেন, ঢাকায় ১০ কাঠা জমিতে ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ১০ ফুট প্রস্থ বাড়ি বানানো যায় ৭০টি। চলাচলের জন্য জায়গা রেখে ৫০টি থাকলেও তা থেকে প্রতি মাসে ভাড়া আসে নয় লাখ টাকা এবং তা পানি, পায়:নিষ্কাষণ এবং অন্য কোনো ব্যবস্থা না নিয়েই।

অন্যদিকে, গুলশান এলাকায় একই পরিমাণ জায়গায় একটি একতলা বাড়ি বানালে ভাড়া পাওয়া যায় ৪০ হাজার টাকা। তাও পৌরকর ইত্যাদি দিয়ে। রাজধানী ঢাকার সীমানা নির্ধারিত না থাকায় অসাধু ব্যক্তিরা সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচক বাংলাদেশের লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) কনসালটেন্ট অ্যাডভোকেট আবু ওবায়দুর রহমান বলেন, বস্তিবাসীদের প্রতি মানসিকতাই প্রধান বাধা। সরকারের অনেক ভালো পরিকল্পনা ও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাস্তবায়নকারীদের নেতিবাচক মানসিকতার কারণে। বড় প্রতিটি বস্তি হাইকোর্ট থেকে স্থগিতাবস্থা আদেশ নিয়ে টিকে আছে। কিন্তু তা সমাধান নয়। এ ব্যাপারে সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিউ এইজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল কবির।

তিনি বলেন, নগরে আগুন লাগলে দেবালয় রক্ষা পায় না। নগর দরিদ্র্যদের আবাসন সমস্যা ভয়াবহ আকার লাভ করছে। এর সমাধান নিশ্চিত করা আমাদের মানবিক ও রাজনৈতিক কর্তব্য।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিটিকাল চিন্তার জায়গা। এখন সেই সংস্কৃতির অবক্ষয় ঘটেছে। রিডিং ক্লাবের এই উদ্যোগ তাই প্রশংসনীয়।

মন্তব্য