আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
আবাসন সঙ্কটে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা
  • সরকারি আবাসন সুবিধা রয়েছে ১৩ শতাংশ

  • গুলশানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তাব

বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তাদের আবাসন সমস্যা দীর্ঘ দিনের। বিশেষত পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ অন্যান্য পুলিশ ইউনিটের সদর দপ্তর ঢাকা শহরে হওয়ায় বেশির ভাগ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কর্মস্থল রাজধানীতে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা, জঙ্গিবাদ দমনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট চালু করা হয়েছে। ফলে জনবলও বেড়েছে। কিন্তু একই সমান্তরালে আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়নি।

বর্তমানে ঢাকা মহানগরে কর্মরত পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তার সংখ্যা ১৩০ জন। কিন্তু তাদের মাত্র ১৩ শতাংশের জন্য সরকারি আবাসন সুবিধা রয়েছে। এসব কর্মকর্তা পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ডিআইজি ঢাকা অফিস, পুলিশ টেলিকম সংস্থা, র‌্যাব, এসবি, সিআইডি, ডিএমপি, পুলিশ স্টাফ কলেজ, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর, এপিবিএন, ঢাকা, টিডিএস-ঢাকা, হাইওয়ে পুলিশ, পিবিআই, রেলওয়ে পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌপুলিশ, পুলিশ হাসপাতালে কর্মরত আছেন।

কর্মকর্তাদের এই আবাসন এ সঙ্কট কাটানোর জন্য রাজধানীর গুলশান এভিনিউতে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আবাসন সমস্যা নিরসন খুবই জরুরি। গুলশান এভিনিউয়ের ১৫৯ নম্বর বাড়িটি পুলিশ বিভাগের অনুকূলে বরাদ্দ দিয়ে আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকল্পটি জিওবির ১০২ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। নির্মাণ ও পূর্ত কাজ হবে ১৭ হাজার ৬৫৮.৮৬ বর্গমিটার। এ কাজে ব্যয় হবে ৯৭ কোটি চার লাখ ১৪ হাজার টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব যৌথভাবে বাংলাদেশ পুলিশ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত। প্রস্তাবনায় কিছু সংশোধনীর জন্য কমিশন থেকে কিছু পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সংশোধনীসহ প্রস্তাবনা প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) চূড়ান্ত করলে এ বছর যেকোনো সময় অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় বা একনেকে পেশ করা হতে পারে।

সম্পাদনা: এফএইচ/আরবি/এমএন

মন্তব্য