আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
মাঝ সমুদ্রে রহস্যময় প্রাচীন দ্বীপ শহর!

সমুদ্রের মাঝে নির্জন দ্বীপ, এমন ছবি হলিউড মুভিতে দেখা যায়। এবার বাস্তবেও সন্ধান পাওয়া গেল এমন একটি দ্বীপের। যেখানে ছড়িয়ে রয়েছে রহস্যময় প্রাচীন এক শহরের ধ্বংসাবশেষ। দ্বীপের নাম ‘নান মাদোল’। নান মাদোল শব্দটির অর্থ হল, ‘মধ্যবর্তী স্থান’। প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে মাইক্রোনেশিয়ার পনফেই দ্বীপের পাশেই ছোট দ্বীপটির অবস্থান। অস্ট্রেলিয়া থেকে এক হাজার ৬০০ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে আড়াই হাজার মাইল দূরে এর অবস্থান। সম্প্রতি স্যাটেলাইটের ছবিতে অনেক আগেই হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন এ নগরটির সন্ধান মিলেছে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, পনফেই বাসিন্দাদের কাছে দ্বীপটি ‘ভূতুড়ে দ্বীপ’ হিসেবে পরিচিত। কারণ, রাত হলেই চেহারা পাল্টে যায় দ্বীপটির। সেখানে নাকি এক রাত থাকলে মৃত্যু অনিবার্য!

সংবাদে আরও বলা হয়েছে, দ্বীপে ৯৭টি পাথুরে ব্লকের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে অনেকগুলি সরু খাল। ‘নান মাদোল’ দ্বীপে ৯৭টি আলাদা আলাদা ব্লক রয়েছে, যার দেওয়াল ২৫ ফুট লম্বা আর ১৭ ফুট চওড়া।

প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, ১১৮০ সাল নাগাদ নান মাদোলে পাথর ও প্রবাল দিয়ে এই শহর তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাঝসমুদ্রে এমন একটি দ্বীপে কারা শহরটি তৈরি করল, তা আজও অজানা।

তবে একদল অভিযাত্রী গবেষক দলের প্রধান মার্ক ম্যাককয় মনে করেন, বর্তমান অবস্থায় যা দেখা যাচ্ছে, তাতে স্পষ্ট, নান মাদোল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপের ইতিহাসে প্রথম প্রতিনিধিত্বকারী। আর শহরটি ছিল পুরো দ্বীপের রাজধানী। তিনি বলেন, এটি ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল। একই সঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোরও তীর্থস্থান। তা ছাড়া এই শহরটি দ্বীপের সাবেক প্রধানদের বিশ্রাম বা অবসরযাপন কেন্দ্রও হতে পারে।

সম্পাদনা: আরএ/এমএন/এসকে

মন্তব্য