আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
কেরানীগঞ্জে আবাসন প্রকল্পের নামে শত শত একর ফসলি জমি দখলের অভিযোগ

আবাসন প্রকল্পের নামে কেরানীগঞ্জে শত শত একর ফসলি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে বেশকিছু ভুমি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। রাতে বালি ফেলে জোর করে ভরাট করা হচ্ছে এসব জমি। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা সবাই জড়িত এসব আবাসন প্রকল্পের সাথে। যদিও তদন্ত করে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের।

যত দূর চোখ যায় কেবল সাইনবোর্ড আর সাইনবোর্ড। রাজধানীর পাশে কেরানীগঞ্জের তারানগর এলাকায় জমি দখল করতে অবৈধভাবে এসব সাইনবোর্ড বসিয়েছে নামে বেনামে বিভিন্ন আবাসন কোম্পানি। নদী, খাল, কৃষি জমি থেকে শুরু করে বাদ যায়নি সরকারি খাস জমিও। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় জোর করে এসব জমি বালি দিয়ে ভরাট করছে দখলদাররা।

দীর্ঘদিন ধরে বেদখলে থাকা এসব জমি উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো সহায়তা না পেয়ে সোমবার (২৫ জুন) মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘আমার জমি তারা দখল করে নিয়ে গেছে। তাদের অত্যাচার নির্যাতনে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। কেরানীগঞ্জবাসী এখন তাদের ভূমি দখলদারিত্ব থেকে মুক্তি চায়।’

আরেকজন জানান, ‘যাদের একমাত্র সম্বল এক বিঘা বা দুই বিঘা জমি, যারা কৃষিকাজ করে, তাদের ওই ফসলী জমিও দখল করে ফেলছে। হাউজিং-এর লোকেরা এই ব্যবসা করছে।’

দখলের বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। তাদের যে অভিযোগ, সেটা আমরা শুনেছি। এধরণের অভিযোগের ক্ষেত্রে আমরা সরেজমিনে তদন্ত করি। তারা যে অভিযোগ করছেন, এটার ভিত্তি আছে কিনা- এটা দেখছি। যদি থাকে, আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সচেতন নাগরিক সমাজকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান স্থানীয় প্রশাসনের এই কর্তাব্যক্তি। সময় টিভি

মন্তব্য