আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক এর বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনেছেন ওই  অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরে পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক এর অপসারন চেয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, এমপি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তারা। রবিবার নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরে অবস্থান কর্মসূচীর পরে তারf এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক এর বিরুদ্ধে ১৩ টি অভিযোগ আনা হয়।  নিচে স্মারকলিপি তুলে ধরা হল।

বিষয়: জনাব খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক, পরিচালক (চলতি দায়িত্ব),নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, -এর স্বেচ্ছাচারিতা, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, চাকুরির শৃ্ঙ্খলা বিধির পরিপন্থী আচরণপ্রসঙ্গে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শ. ম. রেজাউল করিম, এমপি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।

মহাত্নন,
যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের বর্তমান পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক তিনি একজন ৪র্থ গ্রেডভুক্ত কর্মচারী (উপ-পরিচালক)।নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরে বিভিন্ন সময়ে অন্যান্য দপ্তর থেকে প্রেষণে পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় অধিদপ্তরের নিজস্ব লোক হওয়া সত্বেওজনাব তৌফিক সরকারী চাকুরির বিধি-বিধান ও আইন লংঙ্গন অজ্ঞতা, আর্থিক দুর্নীতি-অনিয়ম,স্বেচ্ছাচারিতা, চাকুরি বিধি বর্হিভূত আচার-আচরণকর্মকর্তা-কর্মচারীরবিরুদ্ধেআনায়নেরকারণে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকরি করা খুবই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এতে আমাদের মানসিক ও পারিবারিক জীবনে বিশৃংখলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

অভিযোগ- -০১:নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরে উপ-পরিচালকের পদ দুইটি। জ্যেষ্ঠতার বিধিমালা লংঘন করে (সংযুক্তি-০১)যোগ্য প্রার্থী থাকা সত্বেও গত ২০-০৯-২০১৬ইং তারিখে জনাব খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক কে পরিচালকের চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয় (সংযুক্তি-০২)।তিনি পরিচালকের চলতি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিচালক পদবী ব্যবহারের ক্ষেত্রে চলতি দায়িত্ব শব্দটি লিখেন না(সংযুক্তি-০৩)।

অভিযোগ-০২ :জনাব খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক পরিচালকের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য এক আতঙ্ক হিসেবেআবির্ভুত হন। সরকারি সকল বিধি-বিধানকে অগ্রাহ্য করে নিজের পছন্দের লোককে সকল সুবিধাদি (পদোন্নতি,পদায়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব)ইত্যাদিপ্রদানকরেন।উদাহরণ স্বরুপ উল্লেখ করা যায় যে,তিনি জনাব আহমেদ আক্তারুজ্জামান,সিনিয়র প্ল্যানারকে, জ্যেষ্ঠতার তালিকায় ৫ম স্থানে থাকা সত্বেওগত ২২-১২-২০১৬ তারিখে উপ-পরিচালক (গবেষণা ও সমন্বয়) এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করেন (সংযুক্তি-০৪)। এ প্রেক্ষিতেগত ২৩-০২-২০১৯ অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরের অডিট টিম উক্ত বিষয়ে অডিট আপত্তি ‍উত্থাপন করেছেন (সংযুক্তি-০৫)।উক্তদায়িত্বপ্রদানেরজন্যসরকারি কাজের গতিশীলতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করায় তিনিগাড়ির প্রাধিকার প্রাপ্ত না হওয়া সত্বেও গাড়ি ব্যবহার করছেন। ফলে ৪,৩৫,১০৪/-(চার লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার একশত চার টাকার) জ্বালানী এবং গাড়ি মেরামত বাবদ ৯১,১৬০/- (একানব্বই হাজার একশত ষাট)টাকার ব্যয়ের অডিট আপত্তি ‍ উত্থাপিত হয়েছে (সংযুক্তি-০৫)।তাছাড়াজনাব আহম্মেদ আখতারুজ্জামানকেউপ-পরিচালক (গবেষণা ও সমন্ব) এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করার কারণে আর্থিক ক্ষমতা না থাকা সত্বেও মীরসরাই প্রকল্পের ৩০৮০১০২৪/-টাকার চুক্তি সম্পাদন এবং ৩৮,৯১,৭৬১/- অনিয়মতান্ত্রিকভাবেবিল পরিশোধ করেছেন যার ফলে অডিট আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে (সংযুক্তি-০৬)।

অভিযোগ-০৩ :জনাব খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক পরিচালকেরচলতি দায়িত্বনেয়ার পর পরই কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের মধ্যে শুরু হয় বদলীর ও কারণদর্শানর, সর্তকীকরণ ইত্যাদি আতঙ্ক। তিনিআঞ্চলিক অফিসে সংশ্লিষ্ট পদ না থাকা সত্বেও সেখানে বদলি করেন । তিনি কর্মকর্তাদের অফিস আদেশ করে বদলী করেন কিন্তু সরকারি বিধি হচ্ছে গেজেটেড কর্মকর্তাদের বদলী মন্ত্রণালয় থেকে গেজেটের মাধ্যমে বদলী করার।
অভিযোগ–০৪ :তিনি সমাপ্ত ও চলমান সকল প্রকল্প এবং রাজস্ব বাজেটের ছোট বড় যে কোন পরিমানের চেক থেকে ১% হারে উত্তোলন করেন।যা নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের জন্য নজির বিহীন ঘটনা।

অভিযোগ–০৫:জনাবতৌফিকআর্থিকভাবেদুনীর্তিপরায়নএকজনকর্মকর্তা । যারপ্রমাণপাওয়াযায়গত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে তৎকালীন মাননীয় মন্ত্রী ও সচিব মহোদয় এম এস ডি পি প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান রির্পোট প্রিন্ট করার জন্য প্রায় ০৮ (আট) লক্ষ টাকা বিশেষ বাজেট বরাদ্দ করেন কিন্তু অদ্যবধি এম এস ডি পি প্রকল্পের রির্পোট (Master Plan) প্রিন্ট করা হয় নি। অর্থটি বিল করে উঠানো হয়েছে ( সংযুক্তি-০৬)। ঠিক অনুরুপ ভাবে কম্পিউটার সফটওয়ার কোড থেকে প্রায় ৬২ (বাষট্টি) লক্ষ টাকার কম্পিউটার সফটওয়ার ক্রয় না করেই বিল উত্তোলন করেছেন।তাছাড়াও তিনি গত ২০১৭-১৮অর্থ-বছরের গবেষণা কোডের আওতায় বাইশ লক্ষ টাকার কাজ না করেই চেক প্রদান করেছেন (সংযুক্তি-০৭)। তাঁর ঘনিষ্ট জন হিসাবে পরিচিত জনাব রণজিৎ কুমার কে তিনি টার্টেল ((Turtle) নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক (সংযুক্তি-০৮)। টার্টেল প্রতিষ্ঠানটি নামে বেনামে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের সিংহ ভাগ টেন্ডার, কোটেশনের কাজ করছে। পরিচালক মহোদয়ের ঘনিষ্ঠজন রণ্জিত ই-জিপি হোক আর সাধারণ কোটেশন হোক প্রায়নামে বেনামে টার্টেল করছেন। তাঁর আর্থিক অনিয়মের কারণে গত ২৩-০২-২০১৮ইং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরের অডিট টিম আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে ৪কোটি ২৬ লক্ষ টাকার অডিট আপত্তি ‍উত্থাপন করেছেন। (সংযুক্তি-০৫)।

অভিযোগ-০৬:জনাব খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক পরিচালকের (চলতি দায়িত্ব) নেয়ার পরপরই যেসব প্রকল্প এসেছে সব গুলোতেই তাঁর নিজের পছন্দ মত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান তিনি একক ক্ষমতা বলে নিয়োগ দিয়েছেন যেমন- মিরেসরাই, পায়রা কুয়াকাটা ও কুস্টিয়া প্রকল্প। যেমন-জিওমার্ক,টিলার নামের পরার্মশক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে তাঁর পূর্ব থেকেই ব্যক্তিগত সর্ম্পক ছিল। তিনি জিওমার্কের কর্ণধার জনাব শাহীন কে নিয়ে মালয়েশিয়া (৯ম ওয়ার্ল্ড আরবান ফোরাম) ও জাপান ও ইকুয়েডর ট্যুর করেছেন । চলমান পায়রা- কুয়াকাটা প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্যাকেজ-২ এর কাজ পিইসি কর্তৃক অনুমোদন হওয়ার পরেও শুধুমাত্র তাঁর স্বেচ্ছাচারিতার কারণে পরামর্শক নিয়োগ করা যায় নি। যার কারণে প্রকল্প পরিচালনা ব্যহত হচ্ছে।

অভিযোগ–০৭:তিনি আর্থিক লাভবান হওয়ার জন্য নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিদ্যমান নিয়োগ বিধির ব্যতয় ঘটিয়ে নক্সাকার-৪ পদে সরাসরি লোক নিয়োগ প্রদান করেন। যদি ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিদ্যমান নিয়োগ বিধি অনুযায়ী নক্সাকার-৪পদটি তে পদোন্নতির সুযোগ প্রদান করা যেত।

অভিযোগ-০৮:তিনিকর্মচারীদেরবৈধভ্রমনবিলপ্রদানকরেননা। তিনিবিগতঅর্থবছরেরট্যুারবিলপ্রদানকরেননাইএমনপ্রমাণরয়েছে । তাঁরঘনিষ্ঠলোকদেরকেতিনিজাতীয়শুদ্ধাচারপুরস্কারপ্রদানকরেন।

অভিযোগ-০৯: তিনি ক্ষমতায় এসে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর যেন বিলুপ্ত করে দেয়া হয় অথবা অন্য কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যায় সে জন্য বারবার পত্র দিয়ে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেন।

অভিযোগ-১০: তিনি অফিস আদেশ করে নিজের পক্ষে মূল্যায়ন ফরমপূরণ করিয়ে নিয়েছেন সকল কর্মকর্তাদের দিয়ে। এটি সম্পূর্ণ সরকারি চাকরি বিধির পরিপন্থি কাজ।

অভিযোগ-১১: তিনি নিজে বর্তমানে তিনটি গাড়ী ব্যবহার করছেন।তিনি গাড়ীগুলো অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ব্যবহার করতে দিচ্ছেন না ।গত ২৩-০২-২০১৮ এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরের অডিট আপত্তি প্রদান করেছেন।

অভিযোগ-১২:নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরে একটি কর্মচারী ইউনিয়ন রয়েছে। প্রতি তিন বছর পরপর ভোটের মাধ্যমে কর্মচারী পরিষদ নির্বাচিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য বছরের ন্যায় ২০১৮ সালেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর অনুসারী আওয়ামীপন্থী প্যানেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্যানেলটিকে তিনি মনেপ্রাণে মেনে নিতে পারেন নাই। বিধায় কর্মচারী ইউনিয়ন মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতেহচ্ছে। বর্তমানে বরিশাল বনাম UDD যুদ্ধ চলছে বলে তিনি সভায় বলেন।

অভিযোগ- ১৩
(১) পরিচালক, নগরউন্নয়নঅধিদপ্তরকর্তৃক‘পায়রা বন্দর নগরী ও কুয়াকাটা উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ পর্যটনভিত্তিক সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ প্রকল্পে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সমূহ নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক বার নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করার কারনে প্রকল্পটি সময় মত ও মানসম্পন্নভাবে শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না।

(ক) ফিজিক্যাল ফিচার সার্ভে ফার্ম, প্যাকেজ-২ ফিনান সিয়াল প্রপোজাল অনুমোদনের পরে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়মবহির্বূতভাবে পরিচালক কর্তৃক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলকরন (সংযুক্ত-০৯)। Re-EoIকরে  সংক্ষিপ্ততালিকাভূক্তির পরে পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেন (সংযুক্তি-১০)।

(খ) Baseline Survey of Flora and Fauna ফার্ম চূড়ান্ত পর্যায়ে বাতিল করা হয় । Re-EoIপ্রত্রিয়া করার পরে পুনরায় ফার্ম নিয়োগ স্থগিত করন (সংযুক্তি-১১)।

(গ) Socio-Economic Survey, প্যাকেজ-২ প্রথমপর্যায়ে RFP বাতিল করা হয় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে Re-EoI করার পরে ১৫ টিফার্ম আবেদনকরার পরেও পরিচালক কর্তৃক বাতিলকরণ (সংযুক্তি-১২)।

(ঘ) APPS ডিজাইন ফার্ম নিয়োগের ক্ষেত্রে Re-EoIপ্রকৃয়া বাতিল করা হয় (সংযুক্তি-১৩)।

(২)প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সেকশন না দেওয়ার এবং পিডি কর্তৃক বারবার আবেদন করার পরেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়া। (যখন তখন বদলি এবং তাদেরকে অন্যান্য কাজে ব্যস্ত রেখে প্রকল্পের কাজ বাধা গ্রস্থ করা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রকল্পের সমন্বয় সভায় পিডিকে অন্যান্য কাজ থেকে নিযুক্ত  করে প্রকল্পে সার্বক্ষনিকভাবে দায়িত্বপালনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরেও তা বাস্তবায়ন না করা। এতে প্রকল্পটি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

(৩) প্রকল্পের ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রাক্কলন বারবার উপস্থাপন করা হলেও নানা অযুহাতে তা অনুমোদন না দেওয়া। সারা বছর বিল সমূহ অনুমোদন না করে জুন মাসে বিল অনুমোদন দেওয়া। এতে কাজের ধারাবাহিকতা নষ্ট হচ্ছে।

অতএব, মহোদয়ে নিকট বিনীত অনুরোধ, যথাযথতদন্তপূর্বক পরিচালক জনাব খুরশিদ জাবিন হোসেন তৌফিকের উল্লেখিত অনিয়ম সমূহ সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে জনাবের সদয় মর্জি হয়।

বিনীতনিবেদক,

নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ

সদয়অবগতি ও প্রয়োজনীয়ব্যবস্থাগ্রহনেরজন্যপেশকরাহলোঃ
১। মাননীয়সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রণালয়, বাংলাদেশসচিবালয়, ঢাকা।
২। অতিরিক্তসচিব, (প্রশাসন), গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রণালয়, বাংলাদেশসচিবালয়, ঢাকা।

 

নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিককে তার বিরুদ্ধে যে দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ে তার মতামতের জন্য ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।

 

আবাসন বার্তা/ আরবি/ এনএস

 

 

শেয়ার করুন