আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
ঘোষণা
আবাসন সম্পর্কিত যেকোনো নিউজ পাঠাতে পারেন আমাদের এই মেইলে- abasonbarta2016@gmail.com
আবাসন খাতে আসছে প্রণোদনা

দেশের আবাসন খাত ও শেয়ারবাজার দীর্ঘদিন ধরেই নানান সমস্যায় জর্জরিত। এ সমস্যা কোনোভাবেই যেন টেনে তোলা যাচ্ছে না। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ খাত দুটি চাঙ্গা করতে এবারের বাজেটে ব্যাপক প্রণোদনা থাকছে। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট দিতে যাচ্ছে সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য সম্ভাব্য বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। সর্বশেষ গত ১০ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দুই মেয়াদ ও তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট পর্যন্ত আকার বেড়েছে পাঁচ গুণেরও বেশি। এবারের বাজেটে শেয়ারবাজার ও আবাসন খাতের জন্য ব্যাপক প্রণোদনা রাখছে বলে বাজেট সংশ্লিষ্টদের তথ্যে জানা গেছে।
আবাসন : জমির মূল্য অতিরিক্ত। ফ্ল্যাটের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। সূত্র জানায়, বর্তমানে গেইন ট্যাক্স স্ট্যাম্প ফি, স্থানীয় ও মূল্য সংযোজন করসহ গড়ে ফ্ল্যাটের মোট নিবন্ধন ফি ১৪-১৬ শতাংশ। অন্যদিকে জমির ক্ষেত্রে ১৭ শতাংশ। ডিড ভ্যালু বা দলিলের মোট মূল্যের ওপর এই ফি দেন ক্রেতারা। জানা গেছে, জমি ও ফ্ল্যাটের নিবন্ধন ফি বর্তমানের চেয়ে কমিয়ে অর্ধেক করা হচ্ছে। এখন ফ্ল্যাট ক্রয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রয়েছে। প্রচলিত আয়কর আইনের ‘১৯-এর ৫বি’ ধারায় এ সুযোগ বহাল আছে। নিয়ম অনুযায়ী, এলাকাভেদে ফ্ল্যাটে প্রতি বর্গফুটে নির্ধারিত কর দিলে ক্রেতার আয় বা বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় না। তবে ক্রেতারা মাত্রাতিরিক্ত করের কারণে ফ্ল্যাট কিনতে উৎসাহী হচ্ছেন না। এ পরিস্থিতির জন্য সরকারের দুর্বল নীতিকে দায়ী করেন আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা। ফলে বাজেটে জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন ফিসহ আরো কিছু সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। সূত্রমতে, আসন্ন বাজেটে ফ্ল্যাট কেনায় এলাকাভেদে বর্তমানে যে পরিমাণ কর আছে, তার চেয়ে কমপক্ষে গড়ে ২০ শতাংশ কমানো হচ্ছে। সরকার আশা করছে, কর কমালে ফ্ল্যাটের দাম সহনীয় হবে। তখন ক্রেতারা ফ্ল্যাট কেনায় আকৃষ্ট হবেন এবং এ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। আবাসন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, আবাসন খাতের সঙ্গে আরো প্রায় আড়াইশ সহায়ক শিল্প জড়িত রয়েছে। সুতরাং আবাসন খাত চাঙ্গা হলে চাঙ্গা হবে আরো আড়াইশ শিল্প। এ জন্য দীর্ঘ মেয়াদে সস্তায় ঋণ দিতে হবে, কমাতে হবে নিবন্ধন ফি, সুযোগ দিতে হবে অপ্রদর্শিত আয়ের।

শেয়ার বাজার : দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক খাত শেয়ারবাজার। বর্তমানে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বছরে যে পরিমাণ লভ্যাংশ ঘোষণা করে, তার সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্জিত আয় করমুক্ত। এবারের বাজেটে এ আয়ের ওপর আরো ছাড় আসছে। এ ক্ষেত্রে করমুক্ত সীমা বিদ্যমান পঁচিশ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা করা হতে পারে।