আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
জমি রেজিস্ট্রেশন ফি কমেছে, আবাসনে সুখবর

বাজেটে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ বেড়েছে। ‘সবার জন্য আবাসন কেউ থাকবে না গৃহহীন’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নে নতুন অর্থবছরে এ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ ছিল ৪ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত আকারে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা, যা মূল বাজেটের চেয়ে ১ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা বেশি। সংশোধিত বাজেটের তুলনায়ও ৪৫৭ কোটি টাকা বেশি।

অর্থমন্ত্রী আবাসন খাতের চিত্র তুলে ধরে সংসদে বলেন, আমাদের দেশের আবাসন খাত দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে। এ খাতটি বিকশিত না হওয়ার অন্যতম কারণ স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন ফি অনেক বেশি। এর ফলে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। আর অপ্রদর্শিত আয়ের পরিমাণও বাড়ছে। আমরা সব রেজিস্ট্রেশন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করবো।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে আবাসন খাত সম্প্রসারিত হবে এবং রাজস্ব আয়ও বাড়বে। একই সঙ্গে অপ্রদর্শিত আয়ের প্রবণতাও কমে যাবে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকার পূর্বাচল নতুন শহরে পিপিপির আওতায় ৬০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও সৌন্দর্য বাড়াতে হাতিরঝিল, গুলশান, বনানী, উত্তরা, কুড়িল ও পূর্বাচল এলাকায় ৩৯ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও ৫৫ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া তুরাগ নদীর বন্যাপ্রবাহ অঞ্চলে ৯ হাজার ১২৫ একর এলাকার ৬২ শতাংশ জায়গা জলাধার হিসেবে সংরক্ষিত রেখে অবশিষ্ট এলাকায় কমপ্যাক্ট টাউনশিপ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বানি

শেয়ার করুন