আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
ঘোষণা
আবাসন সম্পর্কিত যেকোনো নিউজ পাঠাতে পারেন আমাদের এই মেইলে- abasonbarta2016@gmail.com
গৃহায়ণ মেলার সমাপনী দিনে উপচে পড়া ভিড়

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘গৃহায়ণ মেলা’র সমাপনী দিনে গতকাল ছিল উপচে পড়া ভিড়। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব নিজের একটি সুন্দর সাজানো আবাসস্থলের স্বপ্ন দেখা মানুষ সমবেত হয়েছিলেন এই মেলায়।

‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত সোমবার থেকে এ মেলা শুরু হয়েছিল। মেলায় আগতদের ব্যাপক আগ্রহ-উৎসাহ দেখে সমাপনী দিনে আয়োজকরা জানান, আগামীতে আরও বড় পরিসরে গৃহায়ণ মেলার আয়োজন করা হবে। রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ বলেন, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর যখন আমরা মন্ত্রণালয়ে সভা করি তখনই তিনি (মন্ত্রী) এবার বড় পরিসরে বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপন ও গৃহায়ণ মেলা আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করেন। কারণ সারা বিশ্বেই এখন মানুষের প্রধান মৌলিক চাহিদা আবাসন। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘস্থায়ী টেকসই নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে তোলার প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল গৃহায়ণ মেলার অন্যতম লক্ষ্য। হাউস বিল্ডিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামীম আখতার বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ, পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও যুগোপযোগী আবাসন নির্মাণে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে এ মেলা। উদ্বোধনের দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মেলায় মানুষের আগ্রহ দেখে আমরা সন্তুষ্ট। গৃহায়ণ মেলার গুরুত্ব সম্পর্কে রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর সামশুল আলামিন বলেন, এ ধরনের মেলাকে সব সময়ই আমরা ও নগরবাসী আবাসন সম্পর্কে জ্ঞান আহরণের একটা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে থাকি। যেহেতু সরকারই এই মেলার আয়োজক, সে জন্য জনগণ আবাসন খাতে সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভের সুযোগ পান এ ধরনের মেলা থেকে।

আয়োজকরা জানান, মেলায় ২৪টি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবারের মতো এবারও এনেছিল নতুন নতুন বিভিন্ন প্রকল্প। এক ছাদের নিচে এই আয়োজনে ক্রেতাদের যাচাই-বাছাইয়ের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। সাধ্যের মধ্যেই অনেকে খুঁজে পেয়েছেন নিজের স্বপ্নের ঘরের (ফ্ল্যাটের) ঠিকানা। কেউ কেউ জানতে পেরেছেন নিজস্ব জমিতে সাশ্রয়ী দ্বিতল ভবন তৈরির অত্যাধুনিক কলাকৌশল। ক্রেতাদের সুবিধার্থে মেলায় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ছাড় দিয়েছে। ছিল সহজ কিস্তিতে ফ্ল্যাট নির্মাণ করার সামগ্রী কেনার নানা অফারও। এই ধরনের মেলার প্রতি নগরবাসীর আগ্রহ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়োজকরাও।

মন্তব্য