আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
শুদ্ধি অভিযানের বাইরে রাজউক!

সারাদেশে শুদ্ধি অভিযান চলছে। দুর্নীতি বিরোধী এই অভিযানে অনেক রাঘব-বোয়াল গ্রেফতার হয়েছেন। প্রায় দেড় শতাধিক নেতা ও কর্মকর্তার ব্যাংক হিসেব জব্দ এবং বিদেশ যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। বিতর্কিত নেতাদের পাশাপাশি প্রশাসনে কর্মরত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার এবং তাদের সম্পদের হিসেব নেয়া হচ্ছে। গতকালও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সারাদেশে দুর্নীতিবাজদের কাপাকাপি শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু ব্যাতিক্রম শুধু রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। রাজউককে বলা হয় দুর্নীতির ক্ষণি। রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ থেকে শুরু করে পিয়ন-দারোয়ান পর্যন্ত কোটি কোটি টাকার মালিক। অবৈধ পথে সম্পদের পাহাড় গড়েও তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। শুদ্ধি অভিযান তাদের স্পর্শ করছে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে তীব্র বিতর্ক। কেউ কেউ প্রশ্ন করছেন রাজউক কী চলমান শুদ্ধি অভিযানের বাইরে? সর্বত্রই চলছে এ নিয়ে বিতর্ক।

রাজউকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতি নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মধ্যে ভীতি বিরাজ করছে। রাজউকে দুর্নীতি বন্ধে দুই বছর আগে গণশুনানী করে দুদক। শুনানীর সময় অনেক সুপারিশসহ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে তা আর কাজে আসছে না বলে জানা গেছে।

সিবিএ নেতা, রেখাকার, সহকারী পরিচালক (আইন), সদস্য এস্টেট ও ভূমিব, প্রধান প্রকৌশলী (প্রজেক্ট এ্যান্ড ডিজাইন). প্রকল্প পরিচালক, প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) এবং সচিব রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সরকারি দলের মন্ত্রী ও এমপি এবং ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ ফোনে ইনকিলাবকে বলেন, আমি নতুন এসেছি। তারপর ভাল করার জন্য কাজ করছি। তবে নকশা পরিবর্তন, কর্তব্যে অবহেলা, দুর্ব্যবহার, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপ‚রণ বিষয় গুলো আমি শুনেছি। এ গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের অভিযোগে বলা হয়, রাজউকের দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নকশা পরিবর্তন, কর্তব্যে অবহেলা, দুর্ব্যবহার, ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে ক্ষতিপ‚রণ ও প্লট না পাওয়া, ক্ষতিগ্রস্তের প্লট অন্যজনকে প্রদান, সিরিয়াল ওভারটেক করে প্লটের দখল বুঝে দেয়া, এক কোটায় আবেদন অন্য কোটায় প্লট বরাদ্দ, গ্রাহকের তথ্যের চেয়েও হলফনামায় বেশি আয়কর দেখানো, নিয়মবহির্ভ‚ত স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা গ্রহণ না করা, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অমান্য, ড্যাপে আবাসিক এলাকাকে সড়ক দেখানোরও অভিযোগ ভুক্তভোগী গ্রাহকদের। এছাড়া নতুন নতুন প্রকল্প তৈরি করে প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহনের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার বছরের শুরুতেই জনগণকে দেয়া ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। ইশতেহারের প্রতিশ্রুতির অন্যতম দুর্নীতির বিরুদ্ধে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে।

সরকারি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, দুর্নীতি একটি বহুমাত্রিক ব্যাধি। পেশিশক্তির ব্যবহার ও অপরাধের শিকড় হচ্ছে দুর্নীতি। যার ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ-জীবনে অবক্ষয় বা পচন শুরু হয়। এর ফলে অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রভৃতি কোনো ক্ষেত্রেই কাংঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয় না। দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও আইনের প্রয়োগ মুখ্য হলেও তা শুধু সরকারের দায় নয়, জনগণেরও দায় রয়েছে।

গত বছর দুদকের গণশুনানিতে অংশ নিয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা প্রকাশ্যেই রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ-দুর্নীতির অবিশ্বাস্য সব অভিযোগ তুলে ধরেন। একজনের প্লট অন্যজনের নামে বরাদ্দ, ভিন্ন মালিককে ভ‚মি ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদান ও নকশা অনুমোদন, প্লটের নম্বর পরিবর্তন, টাকা ছাড়া ফাইল অনুমোদন না করা এবং ফাইল গায়েবসহ এমন কিছু নেই যা ঘটে না রাজউকে। অসংখ্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

এ সব কর্মকতারা হলেন, রাজউক সিবিএ নেতা এম এ মালেক। তিনি রাজউক শ্রমিক-কর্মচারী লীগের সভাপতি ও রাজউক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন সমবায় সমিতির সভাপতি। ১৯৮৩ সালে রাজউকে নিরাপত্তাকর্মী পদে চাকরি পান মালেক। পরে পিওন, নিম্নমান সহকারীর পদ পেরিয়ে বর্তমানে তিনি উচ্চমান সহকারী। রাজউকে চাকরি পাওয়ার পর তার বৈষয়িক উন্নতি সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। রাজউকে এখন তার একচেটিয়া প্রভাব। কেউ অবাধ্য হলেই তার ওপর নেমে আসে মালেকের খড়্গ। রাজউকে তিনি যা বলেন, তা-ই হয়। প্লট বাণিজ্য, ফ্ল্যাট বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, কর্মচারীদের কোয়ার্টার বরাদ্দ বাণিজ্য, প্রবাসীদের প্লট গায়েব, নকশা জালিয়াতি, সমবায় সমিতির কোটি কোটি টাকা লুটপাট-এ রকম অসংখ্য অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে আছে মালেকের নাম। তবে মালেক সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি অগাধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীতে রয়েছে তার একাধিক বাড়ি, একাধিক প্লট-ফ্ল্যাট, একাধিক গাড়ি, রিয়েল এস্টেট কোম্পানি প্রভৃতি। দুদকে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকলেও রাজউক কর্তৃপক্ষও তাকে কখনও ঘাটাতে যায় না। রাজউকে মালেকের এমন বিস্ময়কর উত্থানে অনেক বড় বড় কর্মকর্তারও ভ্রু কুঁচকে যায়। মালেকের ঘনিষ্ঠরা জানান, রাজধানীতেই মালেকের তিনটি বাড়ি রয়েছে। একটি আফতাবনগরের বি বøকে, আরেকটি এফ বøকে। বাড্ডার ডিআইটিতে আরেকটি। আটতলা ওই বাড়িতেই (টøট-১৪, রোড-১২) থাকেন তিনি। বাকিগুলো ভাড়া দেওয়া। উত্তরার সাত নম্বর সেক্টরে রয়েছে তিন কাঠার একটি প্লট। উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর রাস্তার ৫২ নম্বর প্লটের মালিকও তিনি। উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর সড়কের ২৬ নম্বর প্লট, ১১ নম্বর সেক্টরের ৭ নম্বর রোডের ২১ নম্বর প্লটের মালিকও মালেক। আফতাবনগর আবাসিক এলাকার ডি বøকের ২ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বøটের ৭তলা বাড়ির মালিকও তিনি। মালেকের নামে রয়েছে তিনটি গাড়ি (অ্যালিয়ন-ঢাকা মেট্রো গ-৩৯-১১০২, এক্সিও করোলা ঢাকা মেট্রো গ-২৮-৩১৪২ ও টয়োটা নোয়া ঢাকা মেট্রো চ-১৯-১১৬৮)।

রাজউক কর্মচারীরা জানান, মালেকের নিয়োগও হয়েছিল অসাধু উপায়ে। গার্ড থেকে নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদের পরীক্ষায় রাজউক শিক্ষাগত যোগ্যতা চেয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক পাস ও বাংলা-ইংরেজিতে টাইপের গতি থাকতে হবে ২০ ও ২৫ শব্দ। অথচ লিখিত পরীক্ষায় মালেক অংশই নেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতাও চাহিদা অনুযায়ী ছিল না। জাল কাগজপত্র তৈরি করে ওই পদে নিয়োগ পান মালেক। এ নিয়ে রাজউকের আরেকজন নিম্নমান সহকারী কাম টাইপিস্ট মোশাররফ হোসেন স্কাই রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগও দেন। কিন্তু রাজউক কর্তৃপক্ষ সেটা তদন্ত করে দেখেনি।

রাজউকের ৩৭২ জন মাস্টাররোল কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী করার জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেছেন মালেক। কর্মচারীদের বলেছেন, আদালতে মামলা করে তাদের চাকরি স্থায়ী করার ব্যবস্থা করবেন। এভাবে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

সিবিএন নেতা মালেক ইনকিলাবকে বলেন, একটি ছয়তলা বাড়ি ছাড়া তার আর কোনো সম্পদ নেই। যারা তার বিরোধী, তারা সেই বাড়িটার ছবিই সবাইকে দেখায়। তারা আরও বলে ভাটারায় নাকি আমার এক বিঘা জমি আছে। প‚র্বাচল-ঝিলমিলে প্লট আছে। এসব নিয়ে দুদকেও অনেক অভিযোগ পড়েছিল। দুদক তদন্ত করে এসবের কোনো সত্যতা পায়নি। মালেক বলেন, সমিতির নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে একজন দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনে হারার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে এসব কথা ছড়াচ্ছেন। অথচ যিনি এসব ছড়াচ্ছেন রাজধানীতে তারও আটটি বাড়ি রয়েছে।

এ দিকে রেখাকার মো. শফিউল্লাহ বাবু ওরফে সল্টু বাবু রাজউকে বিভিন্ন সময়ে কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর নকল করে নকশা জালিয়াতির যেসব ঘটনা ঘটেছে তার অধিকাংশই।খুব সহজেই যে কোন ব্যাক্তির স্বাক্ষর হুবহু নকল করতে পারেন তিনি। রাজউকের অধিকাংশ কর্মকর্তার নাম ও পদবী সম্বলিত সিল-কলম থাকে তার কাছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সত্যায়িত করার পাশাপাশি জাল-জালিয়াতিতে সিদ্ধহস্ত শফিউল্লাহ বাবুকে সহকর্মীরা তাই আদর করে নাম দিয়েছেন সল্টু বাবু। আ. আজিজ মিয়া নামে জনৈক এক ব্যাক্তি শফিউল্লাহ বাবুর জাল-জালিয়াতি প্রসঙ্গে গত ২৭ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ করেন। প্রাপ্ত অভিযোগ এবং সরেজমিন তদন্ত করে বাবু সম্পর্কে যে তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে তা রীতিমত অবাক হওয়ার মতো!

২০০১ সালের ৯ জুলাই মাত্র ১৮৭৫ টাকা বেতনে রাজউকে কার্য তদারককারী (মান-১) পদে চাকরিতে যোগদান করেন মো. শফিউল্লাহ বাবু। বর্তমানে তিনি রাজউক জোন-৬ এর রেখাকার। বেতন (গ্রেড-১৭) ৯ হাজার থেকে ২১ হাজার ৮শ টাকা। রাজউকে যোগদানের পর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে স্থাবর-অস্থাবর সবকিছু মিলিয়ে বাবু এখন শতকোটি টাকার মালিক! বাড়ি-গাড়ি-ফ্ল্যাটসহ বিলাসবহুল জীবন যাপন করে। দেহরক্ষী, ড্রাইভার, পিয়নসহ অর্ধশতাধিক বেতনভুক্ত কর্মচারী রয়েছে তার শুধুমাত্র রাজধানীর মিরপুরেই গাড়ি, বাড়ি, প্লট ও ফ্ল্যাটসহ শফিউল্লাহ বাবুর কোটি কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। নিজ গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জেও করেছেন সম্পদের পাহাড়। অপসরা হোমস লিমিটেড নামে তার একটি ডেভলপার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০১১ সালের ২৩ আগষ্ট জয়েন্ট স্টক কোম্পানী কর্তৃক নিবন্ধিত (রেজি. নং-৯৫০৫৩) অপসরা হোমস লিমিটেড এর ব্যাবসায়িক পার্টনার মোট চারজন। অত্যন্ত চালাক বাবু সরাসরি সম্পৃক্ত না থেকে স্ত্রী, শশুর ও ভাইয়ের নামে লিমিটেড কোম্পানী খুলেছেন। অপসরা হোমস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কুলসুমী আক্তার লিজা বাবুর স্ত্রী। কোম্পানীর চেয়ারম্যান আলহাজ মো. হুমায়ুন কবির হচ্ছেন তার শশুর। পরিচালক হাসনাত উল্লাহ দিপু তার আপন ভাই এবং অপর পরিচালকের নাম সাজিদুর রহমান। ২০১১ সালে কোম্পানীর প্রাক মূলধন উল্লেখ ছিল ৩০ লাখ টাকা। বর্তমানে যা বেড়ে শতকোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বছর কয়েক আগে ১৪ তলা একটি ভবনের নকশা ও স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনায় দুদক কর্তৃক গ্রেফতার হন সংশ্লিষ্ট জোনের অথরাইজড অফিসার মো. মিজানুর রহমান।

রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা ইকবাল পারভেজ
রাজউকের সাবেক সহকারী পরিচালক (আইন) ইকবাল পারভেজ। পাঁচ বছরের একটু বেশি সময় রাজউকে কাজ করেছেন। এর আগে ছিলেন সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের সহকারী আইন কর্মকর্তা। অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের মামলায় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ইকবাল পারভেজকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে গ্রেপ্তার করেন দুদক পরিচালক নাসির উদ্দিন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই দিনই তাঁর বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় ১১ মামলা দায়ের করা হয়। এরপর ২০১৭ সালের অক্টোবরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে ইকবাল পারভেজের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক। দুদকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসময় জানানো হয়, মো. ইকবাল পারভেজ অসাধু উপায়ে জ্ঞাত-আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭ কোটি ৮০ লাখ ৪৭ হাজার ২৪৫ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা’য় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দুদক এই মামলায় আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেয়।

মন্তব্য