আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
ঘোষণা
আবাসন সম্পর্কিত যেকোনো নিউজ পাঠাতে পারেন আমাদের এই মেইলে- abasonbarta2016@gmail.com
কলাপাড়ায় দৃষ্টিনন্দন আবাসন, জুনে চাবি হস্তান্তর

পাশ্চত্যের স্থাপত্য শৈলীতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার গ্রামীন জনপদে আধুনিক শহরের আদলে তৈরী হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন আবাসন। পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ ২৮১ টি পরিবার পাচ্ছে এ আবাসনে মাথা গোজার ঠাই। ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থদের আবাসন নিশ্চিত করেই শুরু হবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান কাজ, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।  
দক্ষিনাঞ্চলে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ হাব নির্মানের ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মিত হচ্ছে আরও একটি ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দেশীয় আরপিসিএল ও চায়নার নরিনকো কম্পানির যৌথ উদ্যোগে কলাপাড়ার ধানখালীর লোন্দা গ্রামে অধিগ্রহন করা হয়েছে ৯১৫একর জমি। এতে সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছে ২৮১টি পরিবার। মূল বিদ্যুৎ প্লান্টের কাজ শুরু হওয়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্থ এসব পরিবারের পুনর্বাসনে ১শ ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯ একর জমির উপর নির্মান হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন আবাসন।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এ টাইপ ও বি টাইপের ২৮১ টি ঘরের কাজ শুরু করে  সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরপিসিএল(রুরাল পাওয়ার কম্পানি লিমিটেড)। প্রতিটি ঘরে থাকছে তিনটি বেড রুম, ডাইনিং, রান্নাঘর ও বাথরুম। প্রতি ১০টি পরিবারের জন্য থাকবে একটি আঙিনা। রয়েছে বড় আকারের পুকুর। নিরাপদ পানির ব্যবস্থাসহ ১১০০০ স্কয়ার ফিটের মসজিদ, দ্বিতল কমিউনিটি ক্লিনিক কাম সাইক্লোন সেন্টার, বিদ্যালয়, কাঁচা বাজার, মিনি স্টেডিয়াম, নির্দিষ্ট কবরস্থান, শপিং সেন্টার, সৌন্দর্য বর্ধনকারী ফোয়ারা এবং পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধার জন্য থাকছে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র। ইতিমধ্যে আবাসন প্রকল্পের সত্তর ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

২০২০ সালের জুনে আবাসনের কাজ সমাপ্ত হলে ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দিবেন প্রধানমন্ত্রী। 
বিদ্যুৎ প্লান্টের কাজ শুরু হওয়ার আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিগ্রস্থ মালিকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেয়ায় খুশি ধানখালীর সাধারন মানুষসহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার। 

মন্তব্য