আমাদের মেইল করুন dhunatnews@gmail.com
ঘোষণা
আবাসন সম্পর্কিত যেকোনো নিউজ পাঠাতে পারেন আমাদের এই মেইলে- abasonbarta2016@gmail.com
উত্তরা এপার্টমেন্ট প্রকল্পে ফ্ল্যাট হস্তান্তর হলেও উঠছে না মালিকরা

উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট মেগা প্রকল্পে ২ হাজার ৭শ’ ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করেছে। ফ্ল্যাট সংখ্যা ৬ হাজার ৬৩৬টি হলেও উঠেছে মাত্র ৪২৫টি ফ্ল্যাটের বাসিন্দার। দেড় শতাধিক ফ্ল্যাটের ডেকোরেশনের কাজ চলছে। আর চূড়ান্ত বরাদ্দ হয়েছে ৪ হাজার ৪শ’টি ফ্ল্যাট।

বিদ্যুৎ, পানিসহ ইউটিলিটি সার্ভিস দেয়া হয়েছে। আপাতত গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে জ্বালানি ব্যবহার করছে। মূল ঢাকার সঙ্গে যোগযোগ সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয় বহুল হাবার কারণে অনেক ক্রেতা আগ্রহ হারাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে এরকম চিত্র দেখা গেছে।

চেয়ারম্যান সাঈদ নূর আলম বলেন, প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ বলা যায়। ৭৯টি ভবনের মধ্যে ৭৮টি ভবনের কাজ শেষ। বিদ্যুৎ ও পানিসহ ইউটিলিটি সার্ভিস এবং লিফট চালু করা হয়েছে। মেট্রোরেল চালু হলে প্রকল্পটির গুরুত্ব অনেক অনেক গুন বেড়ে যাবে। স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, বিপণিবিতান ইত্যাদি নাগরিক সুবিধা শিঘ্রই নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে বসবারে জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, কোন সুপারশপ, বড় বাজার, কাঁচাবাজারসহ বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এতে বড় ধরণের সমস্যায় পরেছে ভবনে ওঠা ফ্ল্যাট মালিকরা।

বরাদ্দ প্রাপ্তদের সঙ্গে রাজউকের সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফ্ল্যাট সম্পূর্ণ ব্যবহার উপযোগী করে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার সাড়ে ৩ বছর হওয়ার পরে ফ্ল্যাট প্রাপ্তদের বসবাসের উপযোগী করে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

একজন ফ্ল্যাট মালিক জানান, সর্বশেষ আড়াই হাজার ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটির আয়তন ১ হাজার ৬৫০ বর্গফুটের কিছু বেশি। প্রতি বর্গফুটের দাম ৪ হাজার ৮শ’ টাকা। ব্যাংক এবং রাজউক সূত্রমতে, ২০১২ সালে উত্তরার যেসব ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেগুলোর প্রতি বর্গফুটের দাম ছিল ৩ হাজার ৫শ’ টাকা করে। প্রায় একই আয়তনের এসব ফ্ল্যাটের মোট দাম ৫৬ লাখ টাকা। কিন্তু নতুন ফ্ল্যাটগুলোর মোট দাম পড়ছে ৭৯ লাখ ৩৯ হাজার ২শ’ টাকা। এর সঙ্গে যুক্ত হয় পার্কিং ও সেবা খাতের (বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস) জন্য আরও পাঁচ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিটি ফ্ল্যাটের দাম পড়েছে ৮৫ লাখ টাকা। এ কারণে এসব ফ্ল্যাট সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে থাকেনি। একারণে প্রায় ৫’শতাধিক আবেদনকারী টাকা জমা দেবার পরেও তা উঠিয়ে নিয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ফ্ল্যাটের দাম বেশি মনে হতে পারে। ফ্ল্যাটের মান, উন্মুক্ত স্থান, পরিবেশসহ সুযোগ-সুবিধা চিন্তা করলে দাম বেশি নয়। রাজউকের নির্মাণ ব্যয়ও কম হচ্ছে না। তিনি বলেন, রাজউক আগের ফ্ল্যাটগুলো ২০১৮ সালের শেষে হস্তান্তর করা হয়। আশপাশে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। সামনে বিজিএমইএ প্রধান কার্যালয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে। বিশেষ করে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল গড়ে উঠবে।

মন্তব্য