আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com

২৯ পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থী, ত্রিমুখী লড়াইয়ে উত্তাপ - »

২৯ পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থী, ত্রিমুখী লড়াইয়ে উত্তাপ

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে ২৯টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭৭ জন প্রার্থী; যা সংগঠনটির ইতিহাসে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নির্বাচনে মোট ভোটার ৬৭৩ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১২ জন এবং চট্টগ্রামের ৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এবার প্রথমবারের মতো সভাপতি, ছয় সহ-সভাপতি এবং ১৯ পরিচালক পদে সরাসরি ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে আবাসন খাতজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বাড়তি আগ্রহ।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের নির্বাচন কেবল নেতৃত্ব বাছাই নয়; বরং রিহ্যাবের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শক্তিশালী ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে আবাসন খাত আরও গতিশীল হবে এবং সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণে নতুন গতি আসবে।

নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে তিনটি প্যানেলকে কেন্দ্র করে— আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ এবং জাগরণ প্যানেল।

‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল। এ প্যানেলে গত নির্বাচনে বিজয়ী চার সদস্যের অংশগ্রহণ নির্বাচনি সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রিহ্যাবের ইতিহাসে একসময় নির্বাচন ছিল নিয়মিত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে ২০১৪ সালে বিনা ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি গঠিত হয়। প্রায় এক দশক পর ২০২৪ সালে আবার সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন ফিরে আসে। সে নির্বাচনে জয়ী হয় ঐক্য পরিষদ প্যানেল।

বর্তমান পর্ষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবারের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রথমে ভোটের তারিখ নির্ধারিত ছিল ১৭ ফেব্রুয়ারি; জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে তা পিছিয়ে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনকে ঘিরে আবাসন খাতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি ভোটের ফলাফলের দিকে।