আমাদের মেইল করুন abasonbarta2016@gmail.com
আর নয় বাসা পাল্টানোর ঝামেলা

নাগরিক জীবনে বাসা বদল নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে, এটি সহজ ব্যাপারও নয়। সব জিনিস গুছিয়ে বাড়ি বদল করা শুধুমাত্র আসবাবপত্রের নড়াচড়া নয়, মানসিক ও শারীরিক চাপের বিষয়ও। তবে আগের তুলনায় বাড়িবদলের ক্ষেত্রে কিছুটা ঝামেলা কমেছে। এখন চাইলেই মালামাল বহনের দায়িত্ব কোনো একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দিতে পারেন বা গাড়ি ভাড়া করাও সুবিধা।
সে ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যয়ের পরিমাণ খানিকটা বাড়লেও মুক্তি মিলে অনেক ঝুট-ঝামেলা থেকে। তবে চাইলে কিছু টিপস কাজে লাগতে পারেন। এতে বাড়িবদলের কাজটি বেশ স্বস্তিতেই সেরে ফেলতে পারবেন।

সব কাজের তালিকা করুন
সময় নিয়ে একটি তালিকা ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করুন। এতে দরকারি সবকিছু লিখে রাখুন। সংবাদপত্রের বিল থেকে প্রতিবেশীর কাছ থেকে বিদায় সবকিছু এতে রাখতে পারেন। এই ধরনের তালিকা আপনাকে দিতে পারে নিজের কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে দারুণ আত্মবিশ্বাস।

সময় নিয়ে কাজ করুন
বাড়িবদলের ক্ষেত্রে যত বেশি সময় পাওয়া যায় তত ভালো। মাসের শেষ দিকে তাড়াহুড়ো করার চেয়ে ধীরে ধীরে জিনিসপত্র স্থানান্তর করা উত্তম। এটা শুধু আপনার আসবাবকে মনের মতো করে সাজানোর ক্ষেত্রে কাজে দেবে না, মানসিকভাবে নতুন বাড়ির ক্ষেত্রে মানিয়ে নিতেও সাহায্য করবে।
তবে এ কথা ঠিক যে, সাধারণত নতুন তৈরি হওয়া বাড়ি ছাড়া এভাবে ধীরে-সুস্থে কাজ করা যায় না। সে ক্ষেত্রে মানিয়ে নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হোন, নতুন বাসার সুবিধাগুলো নিয়ে ভাবুন। নতুন বাড়ি কীভাবে সাজাবেন তার পরিকল্পনাও এগিয়ে রাখুন।

বাচ্চাদের সঙ্গে আলোচনা করুন
একদম নতুন এলাকা বা দূরবর্তী কোথাও বাসা নেওয়া বাচ্চাদের জন্য কষ্টকর। এতে তারা বন্ধু ও খেলার সাথি হারায়। এজন্য মন খারাপ থাকতে পারে। তাদেরকে বাড়ি পরিবর্তনের ভালো দিক ও সুবিধাগুলো বুঝিয়ে বলুন। বন্ধুর ফোন নাম্বার জেনে নিতে বলুন। জিনিসপত্র প্যাকিংয়ে তাদের সাহায্য নিতে পারেন, এতে তারা অনেক কিছু ভুলে থাকতে পারবে।

সাবধানতার সঙ্গে প্যাকিং করুন
সাবধানতার সাথে জিনিসপত্র গোছান। এলোমেলোভাবে না গুছিয়ে পরিকল্পনা মতো গোছান, যাতে নতুন বাড়ি সাজানোর কাজ সোজা হয়। সহজে ভেঙে যায়, এমন জিনিস সাবধানতার সঙ্গে প্যাকিং করুন। পছন্দের বা মূল্যবান সামগ্রী আপনার সঙ্গেই রাখুন।

ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুন
হতে পারে প্রিয় কোনো স্থান ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তার মানে এই নয় নতুন জায়গা ভালো লাগবে না। প্রতিটি জায়গায় ভালো লাগার মতো কিছু না কিছু থাকেই। তাই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন। কোনো কিছু মূল্যায়নে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুন। এমন মনোভাব সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ ফলদায়ক।

মন্তব্য